কবিতা

অমৃত, তোমাতে ফেরা...



বর্ণা কুণ্ডু


তোমার সঙ্গে সহমরণে যাওয়াই যায়!

হিসেবের চুলচেরা অতীতকে
ক্ষমা আর তাচ্ছিল্যের রাজকীয় হিমে একেবারে চুপ করিয়ে রেখে,
একমাত্র তোমার সঙ্গেই যাওয়া যায়!

শীতপূর্ণিমার আলোকাকীর্ণ পথে
শালের ঐ বিদায়ী পাতাগুলোকে দ্যাখো!
তাদেরও সময় হল
ঝরছে, ফিরছে... একে একে... টুপটাপ
নিয়মমাফিক, সেই মাটিতেই।
ওরাও কোনো হিসেব রাখে নি আর
ধার-ই ধারে না কোনো!
পাতার বুকগুলো জুড়ে অতীতের কত কী দংশন, ক্ষয়ক্ষতি
মাটি কী দিলো, কতবার ফেরালো!

আলোর তোড়ে সব লেনদেন আজ
মাতাল মাতাল
পরাজিত, তবু তারা বিজয়মিছিলে!
ক্ষতির ছেঁড়াফাটা চুঁয়ে এখন শুধুই জ্যোৎস্না আর সম-টান বোঝাপড়া!

আশ্লেষে শেষ সোহাগ মেখে পাতাগুলোর আজ শুধু মাটিতেই চোখ... চেয়ে দ্যাখো!
ঠোঁটে সুখ... ফেরার কী ভীষণ তাড়া!
মৃত্যু গরলকে অমৃতে মেলায় বলেই, না!

আমি পারি না তবে?
ফিরতে, জীবনের ওপারে?