স্থানীয় খবর

  • সহি হ্যায়, সহি হ্যায়, সহি হ্যায়...

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ২৮শে জুন ২০২৫, শনিবার, সকাল ১০টা থেকে 'এসি' ৩১-এর গ্রাউন্ড ফ্লোরে ব্লু চীপ সংস্থার সল্টলেক দ্বিতীয় শাখার ষষ্ঠ বার্ষিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সেখানে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন 'সমন্বয়' মাসিক ই-পত্রিকার সম্পাদক সুদীপ ধর ও স্থানীয় বাসিন্দা নিরঞ্জন দত্ত। উপস্থিত অতিথিদের অধিকাংশ ছিলেন ব্লু চীপ সংস্থার গ্রাহক অথবা আগামীদিনের গ্রাহক। এদিনের অনুষ্ঠান ছিল মূলত হার্দিক পরিবেশে গ্রাহকদের সঙ্গে পুনর্মিলন। শাখা আধিকারিক দেবাশিস মন্ডল (+91 8116503899), শাখা উন্নয়ন আধিকারিক বিমল গিরি (+91 9836483974), কর্মচারী সুদীপ আচার্য, অরিন্দম আঢ্য, প্রতিভা মন্ডল পাল ও সুমনা বৈরাগী অতিথিদের আন্তরিকতার সঙ্গে স্বাগত জানান ও যথাযথ জলযোগের ব্যবস্থা করেন। যদিও এদিনের অনুষ্ঠানে মিউচুয়াল ফান্ডের বিষয়ে কোনও আলোচনা বা প্রশ্নোত্তর পর্বের ব্যবস্থা ছিল না, তবে সংস্থার তরফে জানানো হয় আগামীদিনে কোনো হোটেলে এই ধরনের আলোচনার ব্যবস্থা করা হবে।

পরিশেষে প্রত্যেক অতিথিকে একটা সুন্দর ফাইল, যার মধ্যে পেন, প্যাড ছাড়াও ব্লু চিপ সংস্থার পাক্ষিক বুলেটিন ও মিউচুয়াল ফান্ডের কিছু টিপস দেওয়া হয়। এছাড়াও প্রত্যেক অতিথিকে ফুড প্যাকেট ও একটি করে চারা গাছ দেওয়া হয়। অতিথিরা এই প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন।


  • 'জি' ব্লকের রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত স্মরণ

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বিগত ১৫ই জুন, ২০২৫; রবিবার, সন্ধে ৬টায় সল্টলেক, করুণাময়ী 'জি ব্লক' পরিচালন সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত হয়ে গেল রবীন্দ্র নজরুল সুকান্ত স্মরণ সন্ধ্যা। সন্ধে ৬টা নাগাদ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে মাল্যদান করেন পরিচালন সমিতির সভাপতি জয়ন্ত দে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন যথাক্রমে পরিচালন সমিতির সম্পাদক রঞ্জন চন্দ, প্রবীণ আবাসিক রবীন্দ্রনাথ আচার্য ও সুনীতি রঞ্জন চ্যাটার্জি।

ঠিক সন্ধে ৬-৩০ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় উদ্বোধনী সংগীতের মাধ্যমে। এতে অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা হলেন অনিতা পারিয়া, আলপনা ভট্টাচার্য, লোপিতা মন্ডল, রত্না কোনার, মিনতি ঘোষ ও মুনমুন ভট্টাচার্য। একক আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন অধিরাজ দত্ত, সমদর্শী আচার্য, সায়ন দত্ত, মৈত্রেয়ী সেনগুপ্ত, চুয়া সেনগুপ্ত ও তমাল মৈত্র। প্রত্যেকের আবৃত্তি ভালো মানের হয়, বিশেষকরে সমদর্শী আচার্য ও তমাল মৈত্রের আবৃত্তি আলাদাভাবে রেখাপাত করে।

একক সঙ্গীতে অংশগ্রহণ করেন অনিতা পারিয়া, রিশিমা গুহ, উত্তরণ সরকার, জেনিফার লোবো, সৌগত শঙ্খ বনিক, বর্ণালী ঘোষ, সমন্বিতা দাস, রঞ্জিতা মুখার্জি, শুভেচ্ছা মুখার্জি ও অমিয়া চক্রবর্তী। উচ্চমানের সঙ্গীতাঞ্জলির মধ্যে যে সমস্ত শিল্পীরা শ্রোতাদের আলাদাভাবে মনোরঞ্জন করেছেন তারা হলেন রিশিমা গুহ, সৌগত শঙ্খ বনিক, সমন্বিতা দাস, রঞ্জিতা মুখার্জি, জেনিফার লোবো ও অমিয়া চক্রবর্তী।

একক নৃত্যানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন সুস্মিতা চ্যাটার্জি, নন্দিনী ঘোষ, শ্রেষ্ঠা সেন, অ্যালিসিয়া সাহা, পৌষালি ঘোষ, বৈশাখী ঘোষ, তন্বিতা বনিক, বর্ণালী বনিক, সৃজা হালদার, দেবলীনা হালদার, ঋদ্ধিমা সাহা ও সুকন্যা দাস। মনোমুগ্ধকর এই অনুষ্ঠানে যারা বিশেষকরে দর্শকদের নজর কেড়েছিলেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সুস্মিতা চ্যাটার্জি, বর্ণালী বনিক, সৃজা হালদার, ঋদ্ধিমা সাহা ও সুকন্যা দাস।

পরবর্তী নিবেদন ছিল একটি আলেখ্যঃ রবির আলোয়। অতি উৎকৃষ্ট মানের এই অনুষ্ঠানটি দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখে। মনোজ্ঞ এই অনুষ্ঠানটির শিল্পীরা হলেন রঞ্জিতা মুখার্জী, সমন্বিতা দাস, মৌমিতা সাহা, গৌরী প্রতিহারী, চন্দনা বাসু, বর্ণালী ঘোষ ও অমিয়া চক্রবর্তী। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ছিলেন অমিয়া চক্রবর্তী।

এদিনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বোধহয় সেরা নিবেদন ছিল একটি শ্রুতিনাটক। রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনে তাঁর প্রিয় বৌঠানের সঙ্গে কাল্পনিক কথোপকথন। যেমন সংলাপ, তেমনই প্রয়োগ নৈপুণ্য। শ্রোতাদের ১৫ মিনিট মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। আহা যেমন উত্তম চক্রবর্তী, তেমনই কাকলি বসু ভট্টাচার্য। যেমন গলার মডুলেশন, তার সঙ্গে ছিল সুরের মূর্ছনা। মনে রাখার মতো অভাবিত একটি অনুষ্ঠান।

এছাড়াও ছিল গোপা সাহা ও ময়ূরী সাহার কবিতা কোলাজ। সুবীর বসু ও চন্দনা বসুর কবিতা পাঠ। শুধুমাত্র আবাসিক শিল্পীদের নিয়ে এতো উচ্চমানের হৃদয়গ্রাহী অনুষ্ঠান এর আগে হয়েছে বলে জানা নেই।

অনুষ্ঠানের যন্ত্র সঙ্গীতে ছিলেন, কী বোর্ডে শুভেন্দু দাস ও তবলায় অঞ্জন ব্যানার্জী। সঞ্চালনায় ছিলেন শর্মিলা সরকার, লোপিতা মন্ডল ও শ্রীরূপা বাসু। পরিবেশনায় অমিয়া চক্রবর্তী, অনিতা পারিয়া ও মুনমুন ভট্টাচার্য। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন কুশল মুখার্জী ও উত্তম চক্রবর্তী। আলো ও শব্দ প্রক্ষেপনঃ মনসা ইলেকট্রিক্যালস। মঞ্চঃ বিশ্বকর্মা ডেকরেটর্স।


'জি' ব্লকের অনুষ্ঠানে জেনিফার লোবো


  • বিধাননগর গোল্ড কাপ ২০২৫

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ১১৬ বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের মাননীয় বিধায়ক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অগ্নিনির্বাপন ও জরুরী পরিষেবা মন্ত্রী সুজিত বোসের উদ্যোগে বিধাননগর গোল্ড কাপ তৃতীয় পর্বের সূচনা হয় বিগত ৮ই জুন, ২০২৫ 'আইবি' ব্লকের নয়নাভিরাম খেলার মাঠে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমাজের মান্যগন্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিশেষকরে খেলাধূলা জগতের দিকপাল সংগঠক ও অতীত দিনের প্রতিথযশা খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে ফুটবলে শট মেরে তীব্র প্রতিযোগিতামূলক বিধাননগর গোল্ড কাপের শুভসূচনা করেন মাননীয় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক দেবাশিস কুমার।

৮ই জুন থেকে ১৪ই জুন, মোট ৭ দিন, বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের ২৪টি ওয়ার্ড এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা ছিল ২৮৮। সর্বমোট ১২টি খেলার মাঠে ২৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। করুণাময়ীবাসীর সৌভাগ্য করুণাময়ী খেলার মাঠে এই প্রতিযোগিতার ৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ম্যাচে মাননীয় মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তিনি প্রতিদিনই এই মাঠের উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মাননীয়া পৌরমাতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ফাইনাল খেলা হয় লেকটাউনের মিলন সঙ্ঘের মাঠে, যেটি আজ পি. কে. ব্যানার্জী ক্রীড়াঙ্গন নামে পরিচিত। ফাইনালে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন ও বলে শট মেরে খেলার সূচনা করেন মাননীয় মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এই দিনে খেলার মাঠে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ছাড়াও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, বাবুল সুপ্রিয়, ইন্দ্রনীল সেন শশী পাঁজা, রথীন ঘোষ, স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, বীরবাহা হাঁসদা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সৌগত রায়, প্রসূন ব্যানার্জী, বিধায়ক মদন মিত্র, লাভলি মৈত্র, তাপস চ্যাটার্জী, অতীন ঘোষ, সুপ্তি পান্ডে, বিধাননগর পুর নিগমের মহানাগরিক কৃষ্ণা চক্রবর্তী ও অসংখ্য জনপ্রতিনিধি, এক কথায় যাকে বলে তারার মেলা।

একটা কথা এখানে উল্লেখ করতে হবে তা হলো, ফিরহাদ হাকিম হোক বা অরূপ বিশ্বাস তারা মুক্ত কণ্ঠে উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেন, "যখনই আমরা কোনো কাজ করি সুজিতের কথা মনে পড়ে, ওকে অনুসরণ করি, জানি ওর মতো পারব না, তবু চেষ্টা করতে দোষ কী, যদি কিছুটা পারি"।

আশা করি পাঠকরা বুঝতে পারছেন সুজিত বোসের উদ্যোগে আয়োজিত বিধাননগর গোল্ড কাপ প্রতিযোগিতায় কী ধরণের ধামাকা হয়েছিল! ফাইনালে বিজয়ী ও বিজিত দুই দলকে অতি মূল্যবান কাপ দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থানাধিকারী দলকে যথাক্রমে পাঁচ লক্ষ, তিন লক্ষ ও এক লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২৭টি ম্যাচের ২৭জন সেরা খেলোয়াড়কে নগদ ১,৫০০ টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। এর বাইরে প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড়কে মূল্যবান রত্নখচিত মুকুট প্রদান করা হয়।

পরিশেষে উদ্যোক্তারা জানান, আগামী বছর আরও বড় মাপের এই ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, যাতে পশ্চিমবঙ্গের বুকে এই প্রতিযোগিতা অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি প্রতিযোগিতা হিসাবে পরিগণিত হয়।


  • বৃক্ষরোপন উৎসব

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বিগত ৫ই জুন, বৃহস্পতিবার 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' উপলক্ষ্যে বৃক্ষরোপন ও বৃক্ষবিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে বিধাননগরের মধ্যে অন্যতম সামাজিক সংগঠন 'সল্টলেক রেনেসাঁ'।

প্রতি বছরের মতো এ বছরও প্রায় ১০০ বৃক্ষরোপনের সংকল্প নিয়ে সল্টলেক রেনেসাঁ এগিয়ে আসে। এই বছর অফিস পাড়া হিসেবে পরিচিত সেক্টর ফাইভ অঞ্চলের দীর্ঘ ৪ কিলোমিটার ব্যাপী এলাকাজুড়ে এই বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজিত হয়। সকাল ৬টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত এই বৃক্ষরোপন উৎসব পালিত হয়। মূলত অফিস কর্মীদের ও ছাত্র ছাত্রীদের দিয়েই বৃক্ষরোপন করানো হয়। বৃক্ষরোপনের পরেই প্রত্যেককে দেওয়া হয় সংস্থার পক্ষ থেকে শংসাপত্র।

ঐদিন বিকেলে সল্টলেক স্টেডিয়ামের এক নম্বর গেট থেকে বিধাননগরবাসীদের হাতে নানারকম ফুলের গাছ তুলে দেওয়া হয়। সংগঠনের সম্পাদক রামানুজ চ্যাটার্জি বলেন, বছরে অন্তত একটি গাছ যদি সবাই নিয়ম করে লাগান, তাহলেই পরিবেশ আরও দূষণমুক্ত করে তোলা যাবে।


  • কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী পালন

সংবাদদাতা - সর্বানী ঘড়াইঃ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মজয়ন্তীতে মীনা ফরচুনা নিবাসীদের তৃতীয় বছরের প্রয়াস রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠান পালিত হল ১১ই মে ২০২৫, তাদের কমিউনিটি হলে।

নাচে, গানে, নাটকে, আড্ডায়, কবিতায় একটা মনোগ্রাহী অনুষ্ঠান পরিবেশিত হলো। বিগত দু'বছর ধরে সাংস্কৃতিক পরিবেশের ভিত্তিভূমি গড়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছিল যে অধ্যাবসায়, তারই ফলশ্রুতি এদিনের অনুষ্ঠান। এবং প্রত্যাশা আগামী বছরগুলোতেও এর ব্যতিক্রম হবে না।

সম্বৎসর ধরে মনোজ্ঞ সব সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাঙালির সংস্কৃতি, শিল্প ও সৃষ্টিকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট বার্তা আছে। সমস্ত অনুষ্ঠানগুলির পরিচালনায় ও পরিকল্পনায় ছিল মিনা ফর্চুনার কিছু উদ্যোগী সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম। তাদের ঐকান্তিক চেষ্টায় মীনা ফরচুনায় সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। যা সমস্ত ফেস্টিভ্যালগুলোর আয়োজন করার অভিমুখ।

এখানে যেমন দুর্গা পুজো, গনেশ পুজো, জন্মাষ্টমী, ১৫ ই আগস্ট, সরস্বতী পুজো, এমনকি ছট পুজো পালিত হয়। এর মাধ্যমে কমপ্লেক্সের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাদের সাহিত্য সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য।

মিডিয়া আর মোবাইলের যুগে আমাদের ছোট ছোট বাচ্চারা ও আগামী প্রজন্ম যাতে এই সংস্কৃতি ধরে রাখতে পারে এবং উপভোগ করতে পারে তার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা হিসেবে এদিনের রবীন্দ্র স্মরণ।

(তথ্য সংগ্রহে সুচরিতা ব্যানার্জি)